সকালে ঘুম কাটানোর অস্ত্র হোক বা শারীরচর্চার আগের পানীয়, ঘি মেশানো কফি পান করার ধুম পড়েছে বলিউড থেকে টলিউডে। শরীরের শক্তিবৃদ্ধি থেকে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে নতুন এই পানীয়ে মজেছেন করিনা কপূর খান, শিল্পা শেট্টী, কৃতি সেনন, রকুলপ্রীত সিংহের মতো তারকারা। ঘি কফিকে কেউ কেউ আবার ‘বুলেটপ্রুফ কফি’ও বলেন। অনেকেই মনে করেন এই পানীয় আসলে ফ্যাটলেস ড্রিঙ্ক, খেলেই নাকি মেদ ঝরে যায়, আদৌ কি এই ধারণা ঠিক?
দিল্লি নিবাসী চিকিৎসক বর্তিকা বিশ্বানীর মতে, ১ কাপ কালো কফিতে মাখন বা ঘি মিশিয়ে নিলে যে পানীয়টি তৈরি হয় তাতে প্রায় ২৫০-৪০০ ক্যালোরি থাকে। এই পানীয়ে পুরোটাই ফ্যাট থাকে, কোনও রকম প্রোটিন বা ফাইবার থাকে না। এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে, তাহলে কেন তারকারা এই পানীয় খান? চিকিৎসক বলেন, ‘‘বেশির ভাগ তারকারই কিটো বা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং-এর মতো ডায়েট মেনে চলেন। তাঁরা সাধারণত খিদে নিয়ন্ত্রণের রাখার জন্য এই পানীয়ে চুমুক দেন। এতে রক্তের শর্করার মাত্রা এক লাফে বাড়ে না আর পেটও ভরা থাকে অনেকক্ষণ। তবে এই পানীয় মোটেও মেদ ঝরাতে সাহায্য করে না। যাঁরা একটি নির্দিষ্ট ডায়েটে থাকেন, তাঁদের খিদেটা নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র।’’
যাঁরা কোনও রকম ডায়েট করছেন না, তাঁরা রোজ ঘি কফি খেলে কী হবে?
সাধারণ মানুষ যাঁরা কিটো করছেন না, তাঁদের জন্য এটি একটি হাই ক্যালোরির পানীয়, যা খেলে শরীরে কোনও পুষ্টিগুণই যায় না। প্রাতরাশে ঘি কফি খেলে শরীরে প্রোটিন, ফাইবার কিছুই যাচ্ছে না। এর ফলে শরীরে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেড়ে গিয়ে হার্টের সমস্যা শুরু হতে পারে।
চিকিৎসকের পরামর্শ, তারকাদের ডায়েট প্ল্যান চোখ বন্ধ করে অনুকরণ করা কখনওই উচিত নয়। নিজে একজন পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই ডায়েট শুরু করুন।
দিল্লি নিবাসী চিকিৎসক বর্তিকা বিশ্বানীর মতে, ১ কাপ কালো কফিতে মাখন বা ঘি মিশিয়ে নিলে যে পানীয়টি তৈরি হয় তাতে প্রায় ২৫০-৪০০ ক্যালোরি থাকে। এই পানীয়ে পুরোটাই ফ্যাট থাকে, কোনও রকম প্রোটিন বা ফাইবার থাকে না। এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে, তাহলে কেন তারকারা এই পানীয় খান? চিকিৎসক বলেন, ‘‘বেশির ভাগ তারকারই কিটো বা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং-এর মতো ডায়েট মেনে চলেন। তাঁরা সাধারণত খিদে নিয়ন্ত্রণের রাখার জন্য এই পানীয়ে চুমুক দেন। এতে রক্তের শর্করার মাত্রা এক লাফে বাড়ে না আর পেটও ভরা থাকে অনেকক্ষণ। তবে এই পানীয় মোটেও মেদ ঝরাতে সাহায্য করে না। যাঁরা একটি নির্দিষ্ট ডায়েটে থাকেন, তাঁদের খিদেটা নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র।’’
যাঁরা কোনও রকম ডায়েট করছেন না, তাঁরা রোজ ঘি কফি খেলে কী হবে?
সাধারণ মানুষ যাঁরা কিটো করছেন না, তাঁদের জন্য এটি একটি হাই ক্যালোরির পানীয়, যা খেলে শরীরে কোনও পুষ্টিগুণই যায় না। প্রাতরাশে ঘি কফি খেলে শরীরে প্রোটিন, ফাইবার কিছুই যাচ্ছে না। এর ফলে শরীরে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেড়ে গিয়ে হার্টের সমস্যা শুরু হতে পারে।
চিকিৎসকের পরামর্শ, তারকাদের ডায়েট প্ল্যান চোখ বন্ধ করে অনুকরণ করা কখনওই উচিত নয়। নিজে একজন পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই ডায়েট শুরু করুন।
ফারহানা জেরিন